LPG GAS

LPG GAS

1.    What is LPG GAS?
  • LPG GAS is the short name for Liquefied Petroleum Gas, this is a mixture of Propane and Butane extracted from Gas & Oil fields. LPG is a clean fuel that has a range of properties closest to Octane. LPG is the third most popular automotive fuel in the world.
2.    Is it Safe?
  • LPG has an excellent safety record throughout the world, in storage, transportation and use. LPG is stored inside tank at 20 times less pressure than CNG!
  • LPG GAS

3.     Is LPG Conversion Costly?
  • Converting into LPG is cheaper than the cost of CNG conversion. A standard Sequential Injection LPG Conversion costs in the range of 55000 – 60000!LPG GAS

LPG GAS

4.      Will I save money using LPG?
  • Yes, with an LPG conversion you will save money as soon as you drive away. With the price of LPG (@42/Ltr) being approx 50% less than octane (@89/Ltr), you will start saving 45% for traveling the same distance!
5.      What mileage will I get on LPG?
  • Theoretically LPG will give you 85-90% of the mileage that you would travel on the same quantity of octane. eg: If 1 litre of octane took you 10 km, then 1 litre of LPG would take you 8.5-9 km. But practically in Bangladesh, LPG mileage is at around 5% less than the mileage of Octane just because of the contamination of Octane!LPG GAS
6.    Which LPG system is recommended?
  • Sequential Injection system is the only recommended system for LPG conversion for modern vehicles. It ensures the correct mileage & smooth acceleration of the car. Tuning & calibration are done with the help of dedicated software for LPG system and no frequent tuning is required.
  • LPG GAS
7.       Can LPG damage my engine?
  • No, on the contrary it will increase 30% life of your engine. As the fuel is a gas, it mixes better with air than octane and you should find far less wear on the engine and certain components when using LPG due to the absence of acids and carbon deposits.
 8.CNG Vs LPG
CNG LPG
Hampers engine life for proper ignition timing adjustment No damage to engine due to LPG & increases engine life with clean exhaust. Ignition timing is same as octane.
Lesser Power Delivery Increased Power Delivery
Heavy CNG Cylinder damages car suspension Lighter LPG tank, no damage to car suspension
CNG refilling time at gas station is very long LPG refilling time is almost same as octane (2min, 24/7)
Needs frequent gas tank refilling Runs 4 times more than CNG in one refilling
Higher Initial Investment for Conversion 30% Lower Initial Investment for Conversion

LPG GASoriginal min

ANY INFORMATION PLEASE CALL 01721-104343

পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর

গাড়ির জন্য কোন ধরণের ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করবেন ২০২১

আপনার গাড়ির ব্যবহার এবং পরিবেশের উপর তেলের ব্যবহার অনেকখানি নির্ভর করে থাকে।

  • আপনার গাড়িটি যদি নিয়মিত ট্রিপ দিয়ে থাকে এবং অনেক সময় ধরে ব্যবহার হয়ে থাকে তাহলে গতানুগতিক তেল ইঞ্জিনের অতিরিক্ত ময়েশ্চার পুরোপুরিভাবে পুড়িয়ে ফেলতে পারে না। এক্ষেত্রে সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার করা ভাল।
  • আপনি যদি অধিক শীত বা ঠাণ্ডা অবস্থায় গাড়ি ব্যবহার করে থাকেন সেক্ষেত্রে মিনারেল অয়েলের চাইতে সিনথেটিক অয়েল বেশি কার্যকরী।
  • গাড়ির সর্বোচ্চ কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে চাইলে সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।
  • সিনথেটিক অয়েল যেহেতু ব্যয়বহুল তাই আপনার সামর্থ্যর কথা বিবেচনা করে সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।
  • যদিও সিনথেটিক অয়েল অধিক মাইলেজের জন্য ভাল, তাও মাঝে মাঝে ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করা উচিৎ।
  • পরিবেশের কথা চিন্তা করলেও সিনথেটিক অয়েল কিছুটা ভাল। কারণ এই তেল সম্পূর্ণ পরিশোধিত হয় বলে এতে ক্ষতিকারক কেমিক্যালের পরিমান কম থাকে।

যাদের সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার করার ইচ্ছা আছে কিন্তু দামের কথা মাথায় রেখে অনেকেই এই তেল কিনতে পারেন না। তারা সেমি সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। এতে করে কম দামেও তেল ব্যবহার করে ইঞ্জিনের যত্ন নেয়া সম্ভব। সিনথেটিক অয়েল গাড়ির কার্যকারিতা বাড়ায় তাতে কোন সন্দেহ নেই। এছাড়াও গাড়িতে ভেইকেল ট্র্যাকিং ডিভাইস প্রহরী থাকলে এর মাধ্যমে সহজেই আপনি আপনার গাড়ির ফুয়েল মনিটরিং করতে পারবেন মোবাইলের মাধ্যমেই। তাই তেল চুরির ভয় নেই। তেল অপচয় ও ঠেকানো সম্ভব। তাই দাম বেশি হলেও, সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার করে তখন খরচ কিছুটা হলেও কমানো যাবে।

গাড়ির প্রাণ হচ্ছে ইঞ্জিন। আর ইঞ্জিনকে বাঁচিয়ে রাখে ইঞ্জিন অয়েল। ইঞ্জিন অয়েল আবার কয়েক রকম হতে পারে। যেমন মিনারেল ইঞ্জিন অয়েল, সিনথেটিক ইঞ্জিন অয়েল , সেমি সিনথেটিক ইঞ্জিন অয়েল। কিন্তু কোন ধরনের জ্বালানি ব্যবহার করা গাড়ির জন্য ভাল এবং যুক্তিযুক্ত এই নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় থাকেন। বিভিন্ন ধরণের ইঞ্জিন অয়েলের বিভিন্ন রকম সুবিধা অসুবিধা থাকে। সেসব ভালোমন্দ বিবেচনা করেই গাড়িতে ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করা উচিৎ। তার আগে এই বিভিন্ন রকম ইঞ্জিন অয়েল সম্পর্কে ধারণা নেয়া যাক।

গাড়ির জন্য কোন ধরণের ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করবেন ২০২১

original oil bd min

সিনথেটিক অয়েলের সুবিধা অসুবিধা

সিনথেটিক অয়েল এমন এক ধরণের জ্বালানি যা গাড়ির ইঞ্জিনের কার্যকারিতা বৃদ্ধির কথা মাথায় রেখেই তৈরি করা হয়েছিল। ফলে গাড়িতে সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার করার বেশ কিছু সুবিধা আছে। এইসকল সুবিধার জন্য অনেক গাড়ি চালকই সিনথেটিক অয়েল ব্যবহার করার দিকে ঝুকছেন।

সুবিধা

সিনথেটিক অয়েল ইঞ্জিন চালু হবার সাথে সাথেই কাজ করা শুরু করে। যেখানে মিনারেল অয়েল ইঞ্জিন চালু হবার পর পুরোপুরি কার্যকর হতে কিছুটা সময় লাগে। এছাড়াও গাড়ির পার্টস ভাল রাখতে এবং ইঞ্জিনের নকিং বন্ধ করতে সিনথেটিক ইঞ্জিন অয়েলের সুনাম রয়েছে। নিচে সিনথেটিক অয়েলের আরো কিছু সুবিধা দেয়া হলো

  • অল্প বা ঠাণ্ডা তাপমাত্রায় বেশ কার্যকরী
  • অধিক বা উচ্চ তাপমাত্রায়ও কাজ করে
  • ইঞ্জিনের ময়লা জমতে দেয়না এবং ইঞ্জিন ডাস্ট ক্লিন রাখে
  • ঘর্ষণ এবং নকিং কম হয় ফলে ইঞ্জিনের স্থায়িত্ব বাড়ে।
  • সহজে পাতলা হয়ে যায়না বিধায়, বাষ্প হয়ে কমে যাওয়ার সম্ভাবনা কম।
  • অনেক বেশি সময় ধরে কাজ করে।
  • সর্বোচ্চ পরিমাণে পরিশোধিত বিধায় ক্ষতিকারক কেমিক্যাল নেই বললেই চলে
  • কম সময়ে কাজ করতে শুরু করে।
  • তেলের মধ্যে আনবিক অনুপাত সবসময় সমান থাকে বিধায় কার্যকারিতাও সবসময় একই রকম থাকে।

অসুবিধা

সিনথেটিক অয়েলের যেমন সুবিধা আছে, তেমনি কিছু অসুবিধাও আছে।

  • সিনথেটিক অয়েল বেশ পিচ্ছিল। তাই নতুন গাড়িতে বা ইঞ্জিনে সিনথেটিক অয়েলে লুব্রিকেন্ট হিসেবে এই তেল সঠিক বেক-ইনের জন্য প্রথম প্রথম কার্যকরী হতে সময় লাগে। তাই নতুন গাড়িতে সিনথেটিক অয়েলের আগে কিছুদিন মিনারেল অয়েল ব্যবহার করে নেয়া ভাল।
  • ইঞ্জিনে মিনারেল অয়েলের চাইতে বেশি তাপ উৎপন্ন করে।
  • মিনারেল অয়েলের চাইতে সিনথেটিক অয়েলের দাম অনেক বেশি
  • অনেকেই সিনথেটিক অয়েল সম্পর্কে সঠিকভাবে সচেতন নন।
  • অনেক সময় হাতের কাছে চাইলেই সিনথেটিক অয়েল পাওয়া যায় না
  • অল্প সিসির গাড়িতে এই তেল ব্যবহার করা কিছুটা ব্যয়বহুল
Screenshot 3
পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর

পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর

০১. প্রশ্ন : পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স কাকে বলে ?
উত্তর ঃ যে-লাইসেন্স দিয়ে একজন চালক বেতনভোগী কর্মচারী হিসাবে কোনো মোটরযান চালিয়ে থাকে, তাকে পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স
বলে।
০২. প্রশ্ন : পিএসভি লাইসেন্স কী ?
উত্তর ঃ পিএসভি অর্থ পাবলিক সার্ভিস ভেহিকেল। ভাড়ায় চালিত যাত্রীবাহী মোটরযান চালানোর জন্য প্রত্যেক চালককে তার লাইসেন্সের
অতিরিক্ত হিসাবে পিএসভি লাইসেন্স গ্রহণ করতে হয়।
০৩. প্রশ্ন : পাবলিক সার্ভিস মোটরযান (ঢ়ঁনষরপ ংবৎারপব াবযরপষব) কাকে বলে ?
উত্তর ঃ যে-মোটরযান ভাড়ার বিনিময়ে যাত্রী বহনের জন্য ব্যবহৃত হয়, তাকে পাবলিক সার্ভিস মোটরযান বলে। ভাড়ায় চালিত বাসমিনিবাস, হিউম্যানহলার (লেগুনা), ট্যাক্সিক্যাব ইত্যাদি পাবলিক সার্ভিস মোটরযানের অন্তর্ভুক্ত।
০৪. প্রশ্ন : বাসের আসন সংখ্যা কত?
উত্তর ঃ চালকসহ ৩১ জনের বেশি অর্থাৎ চালকসহ সর্বনিম্ন ৩২ জন।
০৫. প্রশ্ন : মিনিবাসের আসন সংখ্যা কত?
উত্তর ঃ চালকসহ সর্বনিম্ন ১৬ জন এবং সর্বোচ্চ ৩১ জন।
০৬. প্রশ্ন : একজন পেশাদার চালক দৈনিক কত ঘণ্টা গাড়ি চালাবে বা মোটরযানে কর্মঘন্টা কত ?
উত্তর ঃ এক নাগাড়ে ৫ ঘণ্টার বেশি নয়। অতঃপর আধাঘণ্টা বিশ্রাম বা বিরতি নিয়ে আবার ৩ ঘণ্টা অর্থাৎ ১ দিনে ৮ ঘণ্টার বেশি নয়।
তবে ১ সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টার বেশি নয়।
০৭. প্রশ্ন : ইঞ্জিন কাকে বলে ?
উত্তর ঃ ইঞ্জিন হচ্ছে এক ধরনের যন্ত্র যেখানে জ্বালানি বা ফুয়েলকে পুড়িয়ে রাসায়নিক শক্তিকে প্রথমে তাপশক্তিতে এবং তাপশক্তিকে পরে
যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়।
০৮. প্রশ্ন : ইঞ্জিনের প্রধান প্রধান কয়েকটি যন্ত্রাংশের নাম কী ?
উত্তর ঃ ক. সিলিন্ডারহেড খ. সিলিন্ডারবøক গ. পিস্টন ঘ. μাংকশ্যাফ্ট ঙ. ক্যাম ও ক্যাম শ্যাফ্ট চ. কানেকটিং রড
ছ. বিয়ারিং জ. ফ্লাই হুইল ঝ. অয়েলপ্যান ইত্যাদি।
০৯. প্রশ্ন : পেট্রোল ইঞ্জিন ও ডিজেল ইঞ্জিনের মধ্যে পার্থক্য কী ঃ
উত্তর ঃ ক.পেট্রোল ইঞ্জিনে জ্বালানি হিসেবে পেট্রোল ব্যবহার হয় কিন্তু ডিজেল ইঞ্জিনে জ্বালানি হিসেবে ডিজেল ব্যবহার করা হয়।
খ. পেট্রোল ইঞ্জিনে স্পার্ক করে ইগ্নিশন করা হয় কিন্তু ডিজেল ইঞ্জিনে কমপ্রেশন করে ইগনিশন করা হয়।
গ. পেট্রোল ইঞ্জিনে কার্বুরেটর থাকে কিন্তু ডিজেল ইঞ্জিনে কার্বুরেটরের স্থলে ইনজেক্টর থাকে।
ঘ. পেট্রোল ইঞ্জিন অটো সাইকেলে কাজ করে কিন্তু ডিজেল ইঞ্জিন ডিজেল সাইকেলে কাজ করে।
১০. প্রশ্ন : কী কী লক্ষণ দেখা দিলে ইঞ্জিন ‘ওভার হলিং’ করার প্রয়োজন হয় ?
উত্তর ঃ ক. ইঞ্জিনে জ্বালানি এবং লুবঅয়েল (মবিল) বেশি খরচ হলে।
খ. ইঞ্জিন হতে অত্যধিক কালো ধোঁয়া বের হলে।
গ. বোঝা বহন করার ক্ষমতা কমে গেলে।
ঘ. ফার্স্ট গিয়ারে উঁচু রাস্তায় উঠবার সময় ইঞ্জিন গাড়িকে টানতে না পারলে।
১১. প্রশ্ন : ইঞ্জিন কুলিং সিস্টেমের কাজ বা উদ্দেশ্য কী ?
উত্তর ঃ ইঞ্জিনের অতিরিক্ত তাপমাত্রা হ্রাস করে ইঞ্জিনকে কার্যকরী তাপমাত্রায় রাখাই কুলিং সিস্টেমের উদ্দেশ্য বা কাজ।
১২. প্রশ্ন : রেডিয়েটরের কাজ কী ?
উত্তর ঃ রেডিয়েটরের কাজ পানি ঠান্ডা করা। রেডিয়েটর হতে ঠান্ডা পানি পাম্পের সাহায্যে ওয়াটার জ্যাকেটের মাধ্যমে ইঞ্জিনের বিভিন্ন
অংশে পৌঁছে ইঞ্জিনকে ঠান্ডা করে এবং গরম অবস্থায় পুনরায় রেডিয়েটরে ফিরে আসে। রেডিয়েটরে এই গরম পানি ঠান্ডা হয়ে
পুনরায় ইঞ্জিনে যায়।

১৩. প্রশ্ন : কুলিং ফ্যানের কাজ কী ?
উত্তর ঃ রেডিয়েটরের ভেতর দিয়ে বাতাস প্রবাহিত করা এবং গরম পানিকে ঠান্ডা করা।
১৪. প্রশ্ন : এয়ার কুলিং সিস্টেমে ইঞ্জিন কিভাবে ঠান্ডা হয় ?
উত্তর ঃ ইঞ্জিন সিলিন্ডার ও হেডের চতুর্দিকে বেশ কিছু পাতলা লোহার পাত (ফিন) থাকে। বাতাসের সংস্পর্শে এই পাতলা লোহার
পাতসমূহ ঠান্ডা হয়ে ইঞ্জিনকে ঠান্ডা রাখে। যেমনঃ মোটরসাইকেল, অটোরিক্সা ইত্যাদি গাড়িতে এয়ার কুলিং সিস্টেম দেখা যায়।
১৫. প্রশ্ন : ওয়াটার কুলিং সিস্টেমে কী ধরনের পানি ব্যবহার করা উচিত ?
উত্তর ঃ ডিস্টিল্ড ওয়াটারের ন্যায় পরিষ্কার পানি, যেমন-পরিষ্কার পুকুর, নদী ও বৃষ্টির পানি ব্যবহার করা উচিত। সমুদ্রের লবনাক্ত পানি ও
লৌহ মিশ্রিত পানি (কোনো কোনো টিউবওয়েলের পানি) ব্যবহার করা উচিত নয়।
১৬. প্রশ্ন : ফ্যানবেল্ট কোথায় থাকে ?
উত্তর ঃ ইঞ্জিনের পুলি, ফ্যান পুলি ও ডায়নামো পুলির ওপরে পরানো থাকে।
১৭. প্রশ্ন : একটি ইঞ্জিন অত্যধিক গরম অবস্থায় চলছে তা কীভাবে বুঝা যাবে ?
উত্তর ঃ (ক) ড্যাশবোর্ডে টেম্পারেচার মিটারের কাটা লাল দাগে চলে যাবে।
(খ) ইঞ্জিনে খট খট শব্দ (নকিং) হবে।
(গ) পানি বেশি বাষ্পায়িত হয়ে ওভারফ্লো পাইপ দিয়ে বের হতে থাকবে।
(ঘ) মান্বয়ে ইঞ্জিনের শক্তি কমতে থাকবে।

১৮. প্রশ্ন : ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হলে করণীয় কী এবং এ অবস্থায় গাড়ি চালালে কী অসুবিধা হবে ?
উত্তর ঃ প্রথমে ইঞ্জিন বন্ধকরে সুবিধামতো স্থানে গাড়ি পার্ক করতে হবে এবং বনেট খুলে ইঞ্জিন ঠান্ডা হতে দিতে হবে। তারপর ইঞ্জিন
গরম হওয়ার কারণ অনুসন্ধান করেসেই মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হলে যে-কোনো
মুহূর্তে পিষ্টন ও বেয়ারিং গলে গিয়ে ইঞ্জিন জ্যাম বা সিজড হয়ে যেতে পারে। এর ফলে ইঞ্জিন পুনরায় ওভারহলিং করতে হবে, যা
অত্যন্ত ব্যয়বহুল।
১৯. প্রশ্ন : এয়ারক্লিনারের কাজ কী ?
উত্তর ঃ বাতাসে যে-সমস্ত ধূলিকণা থাকে তা পরিষ্কার করে বিশুদ্ধ বাতাস ইঞ্জিনে সরবরাহ করা। পরিষ্কার বাতাস কার্বুরেটরের মধ্যে প্রবেশ
না করলে ধূলিকণা পেট্রোলের সাথে মিশ্রিত হয়ে ইঞ্জিনের সিলিন্ডার, পিস্টন এবং পিস্টন রিংয়ের অতি দ্রæত ক্ষয় সাধন করে।
২০. প্রশ্ন : কার্বুরেটরের অবস্থান কোথায় এবং এর কাজ কী ?
উত্তর ঃ কার্বুরেটরের অবস্থান ইঞ্জিনের ইনটেক ম্যানিফোল্ডের ওপরে ও এয়ারক্লিনারের নিচে। ফুয়েল ও বাতাসকে নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশ্রিত
করে ইঞ্জিনে সরবরাহ করাই এর কাজ।
২১. প্রশ্ন : ডিস্ট্রিবিউটরের কাজ কী ?
উত্তর ঃ প্রত্যেকটি স্পার্ক প্লাগে হাইভোল্টেজ কারেন্ট পৌঁছে দেওয়া ডিস্ট্রিবিউটরের কাজ।
২২. প্রশ্ন : কনডেনসারের কাজ কী ?
উত্তর ঃ ডিস্ট্রিবিউটরের কনট্যাক্টব্রেকার পয়েন্টকে পুড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করা।
২৩. প্রশ্ন : স্পার্ক প্লাগ কোথায় থাকে ?
উত্তর ঃ পেট্রোল ইঞ্জিনের সিলিন্ডারহেডে।
২৪. প্রশ্ন : এয়ারলক ও ভেপারলক এর অর্থ কী ?
উত্তর ঃ ফুয়েল লাইনে বাতাস প্রবেশের কারণে ফুয়েল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়াকে এয়ারলক বলে। ফুয়েল লাইন অত্যধিক তাপের
সংস্পর্শে আসলে লাইনের ভেতর ভেপার বা বাষ্পের সৃষ্টি হয়। এই বাষ্পের চাপে লাইনের ভেতর ফুয়েল সরবরাহ বন্ধ হওয়াকেই
ভেপারলক বলে।
২৫. প্রশ্ন : কোন কোন ত্রæটির কারণে সাধারণত ইঞ্জিন স্টার্ট হয় না ?
উত্তর ঃ (ক) জ্বালানি (পেট্রোল/ডিজেল/সিএনজি) না থাকলে, (খ) ব্যাটারিতে চার্জ না থাকলে বা দুর্বল হলে, (গ) সেল্ফস্টার্টার ঠিকমতো
কাজ না করলে, (ঘ) কার্বুরেটর ঠিকমতো কাজ না করলে, (ঙ) ইগনিশন সিস্টেম ঠিকমতো কাজ না করলে, (চ) ডিজেলইঞ্জিনের
জ্বালানি লাইনে বাতাস ঢুকে গেলে।

২৬. প্রশ্ন : কী কী কারণে ইঞ্জিন চালু অবস্থায় বন্ধ হতে পারে ?
উত্তর ঃ (ক) জ্বালানি (পেট্রোল/ডিজেল/সিএনজি) শেষ হয়ে গেলে বা সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে, (খ) ডিজেলইঞ্জিনের জ্বালানি লাইনে
বাতাস ঢুকে গেলে, (গ) স্পার্কপ্লাগে অতিরিক্ত তেল (মবিল) বা কার্বন জমা হলে, (ঘ) কার্বুরেটরে ফ্লাডিং হলে অর্থাৎ কার্বুরেটরে
অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহ হলে, (ঙ) এক্সিলারেটর প্রয়োজনমতো না চেপে ক্লাচ প্যাডেল ছেড়ে দিলে, (চ) অতিরিক্ত বোঝা বহন
করলে।
২৭. প্রশ্ন : ইগনিশন সিস্টেম ঠিক থাকা সত্তে¡ও একটি ঠান্ডা ইঞ্জিন স্টার্ট না হলে কী করতে হবে ?
উত্তর ঃ মিকচার আরো রিচ করতে হবে (্এ্যাক্সিলারেটর দাবায়ে কার্বুরেটর ফ্লাডিং দ্বারা অথবা এয়ার ইনটেক সম্পূর্ণ বন্ধ করে)।
২৮. প্রশ্ন : ইগনিশন সিস্টেম ঠিক থাকা সত্তে¡ও একটি ইঞ্জিন গরম অবস্থায় স্টার্ট না হলে কী করতে হবে ?
উত্তর ঃ মিকচার খুব বেশি রিচ হলে এমনটি হয়। ইগনিশনসুইচ অফ করে এবং থ্রটলভালভ সম্পূর্ণ খুলে ইঞ্জিনকে কয়েকবার ঘুরাতে হবে।
তারপর থ্রটলভালভ বন্ধ করে ইগনিশনসুইচ অন করতে হবে।
২৯. প্রশ্ন : ডিজেল ইঞ্জিনে গভর্নরের কাজ কী ?
উত্তর ঃ গভর্নর ডিজেল ইঞ্জিনের ফুয়েল (ডিজেল) সরবরাহকে নিয়ন্ত্রন করে ইঞ্জিনের স্পিড বা গতি নিয়ন্ত্রন করে।

মোর উত্তর

গাড়ির জন্য কোন ধরণের ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করবেন ২০২১